Bkash

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৩ / bKash new account

প্রিয় পাঠক কেমন আছেন নিশ্চয় আশা করি ভাল আছেন তোমাদের দোয়া ও ভালবাসায় আমি করি ভালোবাসি আমি তোমাদের মাঝে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি তোমাকে খুবই ভালো লাগবে বলে মনে করি আজকের আলোচনার বিষয় হলো বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম বিস্তারিত জানতে দেখুন।

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং রেজিস্ট্রেশন (bKash agent registration)

বিকাশ এজেন্ট কি এবং কেন আপনি করবেন এর বিস্তারিত বিষয়গুলো আগে আপনাকে জানতে হবে রেজিস্ট্রেশন করার আগে মূলত আপনার বিকাশ কোম্পানির মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকেন বিশেষ করে আপনি বিভিন্ন রকম দোকান দেখান যেখানে গিয়ে আপনি বিকাশে লেনদেন করে থাকেন কিংবা অন্য কোথাও টাকা পাঠাতে চান এটিকে বলা হয় মূলত বিকাশ এজেন্ট

এজেন্ট/ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলে ব্যবসা করার নিয়ম

আপনি যদি মার্চেন্ট একাউন্ট কিংবা বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলে ব্যবসা করতে চাই এজন্য কি রিকোয়ারমেন্ট থাকে এবং কিভাবে করতে হয় বিস্তারিত তথ্য গুলো অ্যাকাউন্ট আপনাকে শেয়ার করা হবে আপনি যাতে ভালোভাবে বিষয়গুলো বুঝে নিতে পারেন।

বিকাশ এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন (বিকাশ এজেন্ট অ্যাপ)

আপনি যদি বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট তৈরী করতে চান সে ক্ষেত্রে যে রিকোয়ারমেন্ট গুলো হয়েছে এখন সেগুলো লিস্ট করে দেওয়া হবে এবং কিভাবে করবেন এই নিয়মটি দেখিয়ে দেওয়া হবে।

গুগল প্লে স্টোর থেকে আপনি বিকাশ এজেন্ট অ্যাপস ডাউনলোড করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন এছাড়া আপনি আলাদাভাবে বিকাশ কোম্পানির কাছে আবেদন করতে পারবেন আপনি বিকাশ এজেন্ট খোলার জন্য।

১. আপনি বিকাশ এজেন্ট অ্যাপস এর মাধ্যমে একাউন্ট তৈরী করতে চান সে ক্ষেত্রে মোবাইল নাম্বার প্রয়োজন হবে।

২. এবং ভোটার আইডি কার্ড এর ফটো তুলে সাবমিট করতে হবে।

বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার | bKash customer care

এছাড়া আপনি বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে সরাসরি বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট তৈরী করতে পারবেন তার জন্য আপনার যা প্রয়োজন হবে সেটি আমি দেখিয়ে দিচ্ছি।

১. মোবাইল নাম্বার

২. ভোটার আইডি কার্ড কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর অরিজিনাল ফটোকপি,

৩. পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি।

বিকাশ এজেন্ট থেকে টাকা পাঠানোর নিয়ম

এখন আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে আপনি বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।

১. বিকাশ এজেন্ট অ্যাপস ওপেন করুন।

২. টাকার পরিমাণ উল্লেখ করুন।

৩. বিকাশ নাম্বার এবং টাকার পরিমান রেজিস্টার খাতায় লিখুন।

৪. ক্যাশ আউট অপশনটি সিলেক্ট করুন।

৫. ফ্রম এজেন্ট সিলেট করুন।

৬. বিকাশের পিন নাম্বারটি দিয়ে টাকা সেন্ড করুন।

বিকাশ এজেন্ট হতে কত টাকা লাগে

আপনি যদি বিকাশ এজেন্ট নিতে চান এবং ব্যবসা করতে চান সে ক্ষেত্রে কোন ধরনের টাকা ছাড়া কিন্তু এই কাজটি করা যাবে তবে এখানে একটি পরিমাণ আপনাকে বিকাশ এজেন্ট ব্যবসার জন্য জমা রাখতে হবে।

বিকাশ এজেন্ট লাভ (বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা)

আপনি যদি বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রে আপনি 1000 টাকায় 20 পয়সা করে কমিশন পেয়ে থাকবেন এছাড়া ক্যাশ আউট থেকে 4.30 শতাংশ পর্যন্ত কমিশন পেয়ে থাকবেন।

বিকাশ এজেন্ট অ্যাপ ডাউনলোড

আপনি যদি বিকাশ এজেন্ট অ্যাপস ডাউনলোড করতে চান তাহলে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে bkash agent app লিখে সার্চ করুন সর্বপ্রথম আপনি যেই অ্যাপসটি পাবে এটি ইন্সটল করে নিবেন।

বিকাশ এজেন্টের সুবিধা (বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম)

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম: প্রিয় পাঠক এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি যতটুক সম্ভব চেষ্টা করেছি বিকাশ এজেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য এছাড়া বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট কিভাবে করতে হয় এই নিয়মটি দেখিয়ে দিয়েছি যদি আপনি বিকাশ এজেন্ট সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন অবশ্য কমেন্ট বক্সে লিখে জানাতে পারেন ধন্যবাদ।

Junaid BD

Junaidbd.com - technology blog: popular blogs - blog website - bangla blog site - bangla blog website - bd blog site - popular tech blogs.

Related Articles

Back to top button
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: